২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জীবনযাপন

অভিনয়শিল্পী মমের চোখে শৈশবের ব্রাহ্মণবাড়িয়া

অভিনয়শিল্পী জাকিয়া বারী মম
অভিনয়শিল্পী জাকিয়া বারী মম | ছবি: জাকিয়া বারী মমের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে শুধু একটি পরিচয়ে কিংবা এক লাইনে ব্যাখ্যা করা যায় না—এমনটাই মনে করেন অভিনয়শিল্পী জাকিয়া বারী মম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেটেছে তাঁর শৈশব। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর সংগীতাঙ্গন থেকে নাচ ও গান শেখার পাশাপাশি শিশু একাডেমি ও সাহিত্য একাডেমির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন তিনি। নাচ, গান, আবৃত্তি, ছবি আঁকা ও অভিনয়ের পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষাও তাঁর বেড়ে ওঠার স্বাভাবিক অংশ ছিল।

বণিক বার্তাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাকিয়া বারী মম তাঁর শৈশবের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংস্কৃতিক পরিবেশ, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সহাবস্থান এবং সংস্কৃতিচর্চার স্মৃতি তুলে ধরেছেন।

তাঁর ভাষায়, একসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোতে প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিল্পীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও অংশগ্রহণ ছিল। অনুষ্ঠান শুরু হতো কিরাত দিয়ে, এরপর চলত গান, নাচ, আবৃত্তিসহ নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। সংস্কৃতি ও ধর্মীয় চর্চাকে আলাদা করে দেখার প্রবণতা ছিল না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তবে সময়ের সঙ্গে সেই সাংস্কৃতিক পরিবেশে পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করেন এই অভিনেত্রী। তাঁর মতে, বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আগের তুলনায় কমে গেছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভয়ের পরিবেশেও সংস্কৃতিচর্চা করতে হয়।

একই সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে ঘিরে তৈরি হওয়া নেতিবাচক ধারণা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। তাঁর মতে, গণমাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মারামারি-সংঘাতের খবর বেশি গুরুত্ব পাওয়ায় জেলার সাংস্কৃতিক পরিচয় অনেকটাই আড়ালে পড়ে গেছে।

জাকিয়া বারী মম মনে করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাংলাদেশের সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি জনপদ। এ জেলা থেকে উঠে আসা অসংখ্য গুণী শিল্পীর কথাও তিনি স্মরণ করেন।

“ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে এক লাইনে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়”—এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি মূলত তুলে ধরেছেন তাঁর শৈশবের সেই বহু সুর, বহু স্বরের ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে।

আরও পড়ুন: নবীনগর: সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের জনপদ

মূল সাক্ষাৎকার

এই প্রতিবেদনটি জাতীয় দৈনিক বণিক বার্তায় প্রকাশিত জাকিয়া বারী মমের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

মূল সাক্ষাৎকারটি পড়ুন বণিক বার্তায়: ব্রাহ্মণবাড়িয়া: বহু সুর, বহু স্বরের জনপদ — বণিক বার্তা

btimes desk